Sujan Debnath 2020-02-24T06:09:15+06:00
sujan debnath book

বই মেলায় পাওয়া যাচ্ছে ‘হেমলকের নিমন্ত্রণ’, অন্বেষা প্রকাশন,৩৩ নং প্যাভেলিয়ন (টিএসসির সামনের গেইটের কাছে, গ্লাস টাওয়ারের কাছাকাছি

হেমলকের নিমন্ত্রণ

"এথেন্সের আদালত। সক্রেটিসের বিচার হচ্ছে। প্রধান বিচারক আসন গ্রহণ করলেন। বিচার একটি ধর্মীয় কাজ। এর গুরুত্ব অনেক। সেজন্য শপথ নিতে হবে। শপথ শুধু মুখে নিলে হবে না। বিচারের দেবী থেমিসের উদ্দেশ্যে একটি পশু বলি দেওয়া হলো। পশুর রক্ত একটি পাত্রে রাখা হলো। সেই রক্তে আঙুল ডুবালেন প্রধান বিচারক। এর মানে হলো-আমি দেবতার কাছে রক্তমাখা শপথ করছি, আমি নিরপেক্ষ বিচার করব। যদি অন্যায় করি আমার পরিবারের ওপর অভিশাপ নেমে আসবে। প্রধান বিচারক রক্তমাখা দুহাত তুলে সকলকে দেখালেন। সবাই মাথা নেড়ে সায় দিল। সব ঠিক আছে। অন্য সব বিচারক মুখে শপথ নিলো-গণতন্ত্রের জন্য আমরা একত্রে ন্যায় করব। এখন বিচার শুরু করা যায়। এটি এক বেলার আদালত। যা করার আজকে দুপুরের মধ্যেই করতে হবে। সময় কম। সেজন্য বাদী আর বিবাদী দুপক্ষের জন্যই সময় নির্ধারণ করা আছে। সময় মাপার জন্য আছে জলঘড়ি। একটি কলসী পানি দিয়ে পূর্ণ করে দেয়া হয়। কলসীটির নিচে একটি ফুটো। ফুটো দিয়ে পানি পড়তে থাকে। যতক্ষণ পানি পড়বে, ততক্ষণই সময়। কলসী খালি হয়ে গেলে সময় শেষ। বাদী অল্প কথা বলবে। তার জন্য ছোট জলঘড়ি। আর আসামী বেশি কথা বলবে। তার জন্য বড় জলঘড়ি। বিচারক অভিযোগ পড়ে শুনালেন। অভিযোগ তিনটিঃ এক-সক্রেটিস এথেন্সের যুবকদের কুপথে নিয়ে যাচ্ছেন। দুই-সক্রেটিস দেবতাদের মানেন না। তিন-সক্রেটিস নতুন নতুন দেবতা সৃষ্টি করেন। প্রস্তাবিত শাস্তি : মৃত্যুদণ্ড"
................ // 'হেমলকের নিমন্ত্রণ' এর অংশ

sujan debnath
sujan debnath

হেমলকের নিমন্ত্রণ

কয়েকজন প্রতিভাবান মানুষ অদ্ভুত এক পাগলামি শুরু করেছিলেন। তাদের পাগলামিতে অল্প দিনেই জন্ম হয়েছিল সাহিত্য, বিজ্ঞান, ইতিহাস, গণতন্ত্র, চিকিৎসা, দর্শনসহ আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রায় সবকিছু। এটি ঘটেছিল প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে। এথেন্স নামের ছোট্ট একটি শহরে। তাদের সেই পাগলামিকে একটি মাত্র গল্পে নিয়ে এসেছেন সুজন দেবনাথ। গল্পের নাম ‘হেমলকের নিমন্ত্রণ’।

এই গল্পের কোন চরিত্রই কাল্পনিক নয়। এই গল্পে সক্রেটিস দুষ্টুমি আর রসিকতায় সুন্দর জীবনের কথা বলছেন। সেই রসিকতা থেকেই প্লেটো শিখছেন জীবনের মানে। একইসাথে সক্রেটিস একজন তুমুল প্রেমিক। স্ত্রীর সাথে খুনসুটি করছেন, ঝগড়া করছেন। আবার চুপিচুপি যাচ্ছেন বুদ্ধিমতী মেয়ে আসপাশিয়ার কাছে। এক বয়স্ক নারীর কাছে শিখছেন প্রেম। প্লেটো খুঁজছেন – শরীরের আকর্ষণ ছাড়া সাধু-সন্ন্যাসী ধরণের প্লেটোনিক প্রেম। প্লেটো তার কবিতা, নাটক সব পুড়িয়ে দিচ্ছেন – তিনি কবি থেকে হয়ে যাচ্ছেন কঠিন এক দার্শনিক। তার আদর্শরাষ্ট্র থেকে কবি-সাহিত্যিকদের নির্বাসন দিচ্ছেন।

আরো পড়ুন:

হেমলকের নিমন্ত্রণ

হেমলকের নিমন্ত্রণ

কয়েকজন প্রতিভাবান মানুষ অদ্ভুত এক পাগলামি শুরু করেছিলেন। তাদের পাগলামিতে অল্প দিনেই জন্ম হয়েছিল সাহিত্য, বিজ্ঞান, ইতিহাস, গণতন্ত্র, চিকিৎসা, দর্শনসহ আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রায় সবকিছু। এটি ঘটেছিল প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে। এথেন্স নামের ছোট্ট একটি শহরে। তাদের সেই পাগলামিকে একটি মাত্র গল্পে নিয়ে এসেছেন সুজন দেবনাথ। গল্পের নাম ‘হেমলকের নিমন্ত্রণ’।

মা তোর বদনখানি মলিন হলে

২০১৫ এর অক্টোবরের মাঝামাঝি। সরকারী কাজে ব্রুনেই গিয়েছি। সফরের দ্বিতীয় দিনে সেখানকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে লাঞ্চে নিমন্ত্রণ করেছেন। ওই সময় ব্রুনেইয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন সুলতানের আপন ভাই। সুলতানের মত তাঁরও একটা ঝলমলে প্রাসাদ আছে।

স্পার্টার মা

স্পার্টা নামটা শুনলেই অবচেতনভাবেই হেলেনের কথা মনে পড়ে। হেলেন অফ স্পার্টা। ট্রয়ের যুদ্ধের বিজয়ী শক্তি স্পার্টা। শুধু এই একটি কারণেই সারা পৃথিবী স্পার্টার নাম জানে। স্পার্টানদের সব বীরত্ব যুদ্ধক্ষেত্রে। যুদ্ধ ছাড়া এই জাতিটির তেমন কোন বুদ্ধিবৃত্তিক অর্জন নেই। ওদের কাছে বীরত্ব মানেই রক্তেভেজা জিনিস।

আপনি কাঁদছেন? কাঁদুন, চিৎকার করে কাঁদুন, কান্না অনেক ভালো জিনিস, কান্না হিরন্ময়ী।

বিশ্বাস হচ্ছে না? একবার ঝিনুকের দিকে তাকান। পৃথিবীতে যে প্রাণীটি সবচেয়ে ইফেক্টিভলি কাঁদতে পারে, সেটি হলো ঝিনুক। কান্নায় ঝিনুকের কষ্টগুলো মুক্তা হয়ে যায়। ঝিনুকের যা দাম, তা ওর অশ্রুর জন্যই। তাই কাঁদতে হলে ঝিনুকের মতো কাঁদুন। সেই কান্নায় শুধু তরল অশ্রু নয়, ঝরতে হবে কঠিন ঘুরে দাঁড়ানোর শক্তি। 

'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'

 জর্জ হ্যারিসনের ‘বাংলাদেশ’ গানটির বাংলা অনুবাদ

Vocabulary

আমি যেভাবে ভোকাবিউলারি মনে রাখতে চেষ্টা করেছি
চাকরির পরীক্ষার যন্ত্রণার নাম Vocabulary. সবার মত আমার কাছেও Vocabulary বিভীষিকা। চাকরির পরীক্ষার জন্য আগের বছরের প্রশ্ন দেখে মনে হল-সব কিছুই আয়ত্ত্বে চলে আসবে একটু সময় দিলে; কিন্তু ভোকাবিউলারি? হায় – এ খাঁচা ভাঙব আমি কেমন করে! কিন্তু নানান গ্যাড়াকলে আমাকে অনেক Vocabulary পড়তে হয়েছিল। শুধু পড়া না, পড়াইতেও হয়েছিল। তো এখানে Vocabulary শিখতে এবং মনে রাখতে কিছু টিপস আর টিউটোরিয়াল দিচ্ছি।

হেঁটেছি সাত-পা : বুঝে না বুঝে

‘সবাই সমান ভালবাসতে পারে না। প্রেমের ক্ষেত্রেও প্রতিভার প্রয়োজন আছে। খুব বড় শিল্পী বা গায়ক যেমন পথেঘাটে মেলে না, খুব বড় প্রেমিক প্রেমিকাও তেমনি পথেঘাটে মেলে না। ও প্রতিভা যে কোন সৃজনী প্রতিভার মতই দূর্লভ

পথের আধুলি

ক’দিন ধরে নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে আছি। ডাচরা গর্ব করে হেগ শহরকে বলে ‘লিগ্যাল ক্যাপিটাল অফ দ্যা ওয়ার্ল্ড’ – পৃথিবীর আইনী রাজধানী। তা ঠিকই আছে। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আদালত, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত সবই এখানে। কিন্তু হলে কী হবে

শান্তিনিকেতনের শান্তিভূত -৩

শান্তিনিকেতনের পথে যাত্রা শুরু করলাম। কলকাতা থেকে ট্রেনে বোলপুর। ট্রেনের নামও শান্তিনিকেতন এক্সপ্রেস। ট্রেনের কামরায় রবীন্দ্রনাথ আর মহাত্মা গান্ধীর ছবি ঝুলছে। পাশের কক্ষে কয়েকলাইন রবীন্দ্রনাথের গান। সবকিছু বলছে- চলো, রবীন্দ্রভুবনে।

বিসিএস পরীক্ষার ক্যাডার চয়েস

বিসিএসের সার্কুলার হলেই ক্যাডার চয়েস নিয়ে ছোট ভাইবোনদের প্রশ্ন আসতে থাকে। তাই নতুনদের জন্য পুরুনো লেখাটি আপডেট করলাম। এটি কোন পণ্ডিতি লেখা নয়। একজন নতুন বিসিএস পরীক্ষার্থী যেভাবে ভাবে, যেভাবে আমাকে প্রশ্ন করে, সেগুলোর উত্তর দিতে লেখা।