সুজন দেবনাথ সম্পর্কে 2020-02-24T05:20:25+06:00

সুজন দেবনাথের প্রথম উপন্যাস ‘হেমলকের নিমন্ত্রণ’। তিনি একজন কূটনীতিক। বর্তমানে এথেন্সে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সেলর। তিন বছর গ্রিসে থাকার সময় তিনি গ্রিসের ক্লাসিক্যাল সময় অর্থাৎ খ্রি:পূ: পঞ্চম ও চতুর্থ শতক নিয়ে গবেষণা করেছেন। তিনি গভীর আগ্রহে খুঁজে দেখেছেন সেই সময়টি যখন জন্ম হয়েছিল গণতন্ত্র, সাহিত্য, বিজ্ঞান, চিকিৎশাস্ত্র, দর্শন, স্থাপত্যসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রায় সবকিছু। তার সেই গবেষণা এবং অনুভব থেকে সক্রেটিস, প্লেটো, হেরোডটাস, পেরিক্লিস, সফোক্লিসদের নিয়ে এই উপন্যাস ‘হেমলকের নিমন্ত্রণ’। প্রায় আড়াই হাজার বছর আগের সময়কে একুশ শতকের মলাটে বাংলাভাষীদের জন্য নিয়ে এসেছেন তিনি।

সেই সক্রেটিসের সময় থেকেই যারাই জ্ঞানের জন্য আত্মনিয়োগ করেছেন, তারাই কোন না কোনভাবে ভয়াবহ বিপদে পড়েছেন। তাদের জন্য অজান্তেই প্রস্তুত হয়েছে এক পেয়ালা হেমলক। যারা অজানাকে জানতে চেয়েছেন, তারাই হেমলকের নিমন্ত্রণ পেয়েছেন। তবু পথ ছাড়েননি পৃথিবীর জ্ঞান পিপাসুরা। হেমলকপ্রেমীরাই পৃথিবীকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। বাংলাভাষী সব হেমলকপ্রেমীর জন্য সুজন দেবনাথের প্রথম উপন্যাস ‘হেমলকের নিমন্ত্রণ’।

সুজন দেবনাথ ১৯৮২ সালে বাংলাদেশের শরীয়তপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি অধ্যয়ন করেছেন অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং নটরডেম কলেজে। তিনি অব্যয় অনিন্দ্য নামে লেখালেখি শুরু করেন। এই নামে ২০১৫ সালে তার দুটি বই প্রকাশিত হয়। একটি কাব্যগ্রন্থ ‘মন খারাপের উঠোন’ এবং একটি গল্পগ্রন্থ ‘কীর্তিনাশা’। তার রচনা ও পরিচালনায় ২০১৮ সালে গ্রিসে নির্মিত হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম ইংরেজি গান ‘মাদার ল্যাংগুয়েজ ডে’।