গ্রীক শিল্পীদের কণ্ঠে ‘এসো হে বৈশাখ’

//গ্রীক শিল্পীদের কণ্ঠে ‘এসো হে বৈশাখ’

গ্রীক শিল্পীদের কণ্ঠে ‘এসো হে বৈশাখ’

এবারের বৈশাখে আমাদের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’ গানটি গাইলো গ্রীক শিল্পীরা। আমাদের বর্ষবরণকে গ্রীকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে মান্যবর রাষ্ট্রদূত এবার একটা সুন্দর কর্মসূচি নিয়েছিলেন। এর নাম ‘এক বাংলাদেশি এক গ্রীক’, মানে বাংলাদেশীরা সবাই এক জন করে গ্রীক মানুষ নিয়ে আসবে বৈশাখী মেলায়। এর সাথে মিল রাখে ভাবলাম, তাহলে গ্রীক শিল্পীরা আমাদের এসো হে বৈশাখ গাইলে কেমন হয়! প্রথমেই মনে এলো শিল্পী বন্ধু স্টাভরোসের কথা। একুশের প্রথম ইংরেজি গান ‘ইটস মাদার ম্যাঙ্গুয়েজ ডে’ এর গায়ক স্টাভরোস। ওর সাথে কথা বলে ‘এসো হে বৈশাখ’ গানটা রোমান (ইংরেজি) হরফে লিখে ওকে পাঠিয়ে দিলাম, সাথে ইউটিউব লিংক। এটা পহেলা বৈশাখের ঠিক দুই দিন আগে। কিন্তু জানতাম, স্টাভরোস পারবে, ও বাংলাদেশের বন্ধু, ও ঠিক শিখে ফেলবে। পরদিন সকালেই ওর ফোন, ‘ডিয়ার ফ্রেন্ড, আই হেভ লার্ন্ট ইউর সং’। আমি বললাম, বন্ধু এটা আমার গান না, এটা রবি ঠাকুরের গান, আমাদের বৈশাখের গান। লেটস হিয়ার ইট, প্লিস সিং। ও চার লাইন শুনালো। আমি মুগ্ধ। সংগীতের প্রতি কতটা ভালোবাসা থাকলে, একরাতেই একটা বিদেশী ভাষার গান শিখে ফেলা যায়! এভাবে সাহস পেয়ে আরেক গ্রীক শিল্পী কস্তাসকে ফোন দিয়ে গানটি পাঠিয়ে দিলাম। আমাকে অবাক করে কস্তাসও শিখে ফেলল গানটি। আমাদের বর্ষবরণ শুরু হলো গ্রীকশিল্পীদের উচ্চারণে। আমাদের সাথে ওরা নয়, বরং ওদের সাথে ঠোঁট মিলিয়ে আমরা বললাম -‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’। শুধু এথেন্স নয়, এবার এথেন্সের নাগরিকরাও বরণ করলো আমাদের বৈশাখ, বৈশাখের মঙ্গল আলো গায়ে মাখলো এথেন্সবাসী।

2018-11-05T16:09:45+06:00 July 15th, 2018|Categories: ফিচার|Comments Off on গ্রীক শিল্পীদের কণ্ঠে ‘এসো হে বৈশাখ’